সাইটোকাইনিন কাকে বলে | কাইনেটিন কি | সাইটোকাইনিনের কাজ ও শারীরবৃত্তীয় ভূমিকা

সাইটোকাইনিন হল প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সৃষ্ট এক প্রকার নাইট্রোজেন ঘটিত যৌগ। রাসায়নিক নাম 6-ফুরফুরাইল অ্যামাইনোপিউরিন।সাইটোকাইনিন কি? সাইটোকাইনিনের কাজ ও শারীরবৃত্তীয় ভূমিকা।কাইনেটিন হরমোনের প্রভাবে এই ফলাফলকে 'রিকমন্ড ও ল্যাঙ এফেক্ট' বলা হয়।বার্ধক্যের বিলম্বতা (Delay of Senescence) । বীজের সুপ্তদশা ভঙ্গ করতে সাহায্য করে ।
জীব বিদ্যা তে সাইটোকাইনিন সম্পর্কে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে।আজকে আমরা এই পোস্টটিতে সাইটোকাইনিন কি সাইটোকাইনিনের শারীরবৃত্তীয় ভূমিকা সম্পর্কে জানব।

সাইটোকাইনিন (Cytokinin) :

সাইটোকাইনিন কাকে বলে  বা কাইনেটিন কি ?
উত্তর : সাইটোকাইনিন হল প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে সৃষ্ট এক প্রকার নাইট্রোজেন ঘটিত যৌগ। সাইটোকাইনিন এর রাসায়নিক নাম 6-ফুরফুরাইল অ্যামাইনোপিউরিন।
সাইটোকাইনিন বা কাইনেটিন মেভালনিক অ্যাসিড থেকে তৈরি হয়।

সাইটোকাইনিনের শারীরবৃত্তীয় ভূমিকা :-


  1. কোষ বিভাজন : সাইটোকাইনিন হরমোনের প্রয়োগের মাধ্যমে উদ্ভিদের কোষ বিভাজন দ্রুতহারে সম্ভব হয়। ফলে উদ্ভিদের সামগ্রিক বৃদ্ধি ঘটে।
  2. বীজের সুপ্তদশা ভঙ্গ করতে সাহায্য করে : জিব্বেরেলিননের ন্যায় সাইটোকাইনিন বীজের সুপ্তদশা ভঙ্গ করতে সাহায্য করে। যেমন - লেটুস ও তামাক গাছ।
  3. অগ্রস্থ প্রকটতা : উদ্ভিদের মুকুল বৃদ্ধিতে সাইটোকাইনিন সাহায্য করে। সাইটোকাইনিন প্রয়োগে উদ্ভিদের অগ্রস্থ প্রকটতা হ্রাস পাই। হলে কাক্ষিক মুকুলের এর বৃদ্ধি ও বিকাশে সহায়তা করে।
  4. বার্ধক্যের বিলম্বতা (Delay of Senescence) : বয়স জনিত কারণে উদ্ভিদের পাতার হ্রাস ও ক্লোরোফিলের পরিমাণ কমে যাবার ফলে প্রোটিন ভেঙে যায়, ইহাকে বার্ধক্য বলে। প্রথম 1957 সালে রিকমন্ড ও ল্যাঙ নামক দুই বিজ্ঞানী লক্ষ্য করেছিলেন এই বার্ধক্য জনিত কারন রোধ করা যায় যদি উদ্ভিদটিকে সাইটোকাইনিন নামক হরমোন দেওয়া হয়। অক্ষত উদ্ভিদে সাইটোকাইনিন প্রয়োগে বার্ধক্য প্রাপ্ত, ফল ও অন্যান্য অঙ্গের বিলম্বতা পরিলক্ষিত হয়। কাইনেটিন হরমোনের প্রভাবে এই ফলাফলকে 'রিকমন্ড ও ল্যাঙ এফেক্ট' বলা হয়।
আশা করি বন্ধুরা আপনারা সাইটোকাইনিন সম্পর্কে বুঝতে পেরেছেন। পোস্টটি পড়ে ভালো লাগলে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।